বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আলীগঞ্জে ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে ‘শান্তর মাদকের হাট’ ফতুল্লায় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ অস্ত্রধারী, বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২ আলীগঞ্জে একাব্বর মাতবর ফাউন্ডেশন (আবু বাড়ি) শুভ উদ্বোধন, আব্দুল ওয়াহেদ সভাপতি ও মো. সাখাওয়াত কুতুবপুরের বাবুল মেম্বার ও মাসুদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রাক চাপায় ছাত্রদল নেতা ও যুবদল নেতা নিহত ফতুল্লায় সন্ত্রাসী শাহজাহান ও আলী আরশাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি কুতুবপুরে ‘শাহজাহান বাহিনীর’ তাণ্ডবের অভিযোগ: গৃহবধূকে উত্যক্তের প্রতিবাদে হামলা, নারীসহ আহত ৬ কুতুবপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নজরুলের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন 

বন্দরে পার্লার কর্মী ধর্ষণের ঘটনার ২০ দিন পর মামলা, অভিযুক্ত মনির হোসেন গ্রেফতার,

সংবাদ নারায়ণগঞ্জঃ- বন্দরে পার্লার কর্মী ধর্ষণের ঘটনার ২০ দিন পর মামলা দায়ের হয়েছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পার্লারকর্মী বাদী বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং- ৩৪(১)২০।

(২৫ জানুয়ারি ২০২০) শনিবার রাতে বন্দর থানার নাসিক ২৩ নং ওয়ার্ড একরামপুর ইস্পাহানী এলাকা থেকে অভিযুক্ত জুট ব্যবসায়ী মনির হোসেনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মনির হোসেন একরামপুর ইস্পাহানী এলাকার মৃত আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার পার্লার কর্মী ছোটবেলা থেকে তার খালার সাথে বন্দরে বসবাস করে আসছে। পার্লার কর্মীর স্বামীর মাধ্যমে জুট ব্যবসায়ী মনির হোসেনের সাথে পরিচয় হয়। এর ধারাহবাহিকতায় গত ৪ জানুয়ারি রাতে পার্লার কর্মী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মনির হোসেনের সাথে দেখা হয়। পরে মনির হোসেন নদী পার করে দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীকে তার ভাড়াকৃত নৌকায় উঠায়। ওই সময় মনির হোসেন পার্লার কর্মীকে নৌকায় মধ্যে কুপ্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজি না হওয়ায় মনির হোসেন অজ্ঞাতনামা নৌকা চালকের সহায়তায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে। পরে তাকে ইস্পাহানী এলাকায় মনির হোসেন মিয়ার জুটের গুডাউনে নিয়ে একই এলাকার আরাফাত আকনের সহযোগিতায় পুনরায় ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার ২১দিন পর ধর্ষণের শিকার পার্লারকর্মী বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগীর মামলা দায়েরের সাথে সাথে আমরা বিষয়টি আমলে নেই। এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মামলা দায়ের এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আগামীকাল গ্রেপ্তারকৃতকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD